![]() |
বিজ্ঞানের কিছু প্রশ্ন |
Some questions of Science :
১। কোশের কোন কোশ বিভাজনকে হ্রাস বিভাজনবলে – মায়ােসিস।
২। জার্মান সিলভারের উপাদান কী কী – তামা, দস্তা ও নিকেল।।
৩। উড়ােজাহাজের উত্থান কোন নীতির ওপর নির্ভর করে হয় – বাৰ্ণোলীর নীতি।।
৪। স্ত্রী কণ্ঠস্বর, পুরুষ কণ্ঠস্বরের থেকে তীক্ষ্ণ হয় কেন – উচ্চ কম্পাঙ্কের জন্য।
৫। পেট্রোলের রাসায়নিক নাম কী -গ্যাসােলিন।।
৬। কয়লার অসম্পূর্ণ দহনে কী তৈরি হয় – কার্বন মনােক্সাইড।
৭। কাপড় কাচার সােডার রাসায়নিক নাম কী – সােডিয়াম কার্বনেট।
৮। নাইক্রোম ও জার্মান সিলভার সংকর ধাতুতে কোন মৌলটি থাকবেই-নিকেল।
৯। পৃথিবী নিজে একটি চুম্বকএই কথাটি প্রথম কে বলেন – গিলবার্ট।
১০। মার্স গ্যাসে কী থাকে- মিথেন।
১১। ক্লোরােফিলের প্রধান উপাদান কী — ম্যাগনেশিয়াম।।
১২। আবহাওয়াবিদদের বেলুন কোন গ্যাসের মাধ্যমে ভরতি করা হয় – হিলিয়াম।
১৩। শব্দ রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রের নাম কী – ফেনােগ্রাফি।
১৪। ব্যারােমিটারকে আবিষ্কার করেন— টরিসেলী।।
১৫। কোন ফুরিন যৌগ রেফ্রিজারেটরে শীতলকারক উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয় – ফ্ৰেয়ন।
১৬। ভারী জল কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় – পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি হ্রাস করতে।
১৭। কোন ভিটামিনের অভাবে স্কার্ভি রােগ হয় – ভিটামিন সি।।
১৮। ডায়াবেটিস রােগে মানব শরীরের কোন অঙ্গ আক্রান্ত হয় – প্লীহা।।
১৯। সােনার অলঙ্কার তৈরির সময় সােনার সঙ্গে খাদ হিসাবে কী মেশানাে হয় – তামা।।
২০। রসায়নাগারে তৈরি প্রথম জৈব যৌগটির নাম কী – ইউরিয়া।
২১। পারদ ছাড়া অন্য একটি তরল ধাতুর নাম কী – গ্যালিয়াম।।
২২। পিপড়ের হুলে কী অ্যাসিড থাকে – ফরমিক অ্যাসিড।
২৩। পরমাণুর নিউক্লিয়াস কী নিয়ে গঠিত – প্রােটন ও নিউট্রন।
২৪। সুর্যের প্রচণ্ড শক্তির উৎস কী – নিউক্লিয় সংযােজন।।
২৫। যেসব উদ্ভিদ বরফের ওপর জন্মায়, তাদের কী বলে- ক্রায়ােফাইট।
২৬। ব্ৰঙ্কাইটিস রােগ মানব শরীরের কোন অঙ্গে হয় – শ্বসন নালীতে।।
২৭। ফিউজ তারের বৈশিষ্ট্য কী – উচ্চরােধ ও নিম্ন গলনাঙ্ক।
২৮। রাবার প্রস্তুতির প্রক্রিয়াকে কী বলে – ভালকানাইজেশন।।
২৯। কুইকলইম কী - ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড।
৩০। মানবদেহে কোন গ্যাস সবথেকে বেশি থাকে – অক্সিজেন।।
৩১। লােহার জিনিসের ওপর জিঙ্কের প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে। — গ্যালভানাইজেশন।।
৩২। তড়িৎ আধান কোন এককে পরিমাপ করা হয় – কুলম্ব।
৩৩। জেনেটিক কোডের আবিষ্কারক কে– উঃ খােরানা।।
৩৪৷ বেকিং সােডার রাসায়নিক নাম কী- সােডিয়াম বাই কার্বনেট।
৩৫। সিস্টোলিথ কী – ক্যালসিয়াম কার্বনেট যৌগ।
৩৬। দুই ভর সংখ্যা বিশিষ্ট হাইড্রোজেনকে কী বলে ডয়টেরিয়াম।।
৩৭। মানুষের হাত কোন শ্রেণির লিভার – তৃতীয় শ্রেণির।
৩৮। ইলেক্ট্রন কে আবিষ্কার করেন – টমসন।।
৩৯। মহাকর্ষ সূত্রের প্রবক্তা কে -স্যার আইজ্যাক নিউটন।
৪০। কোন ধাতু ‘Metal Of Hope’ নামে পরিচিত – ইউরেনিয়াম।